Logo
হোম রাজ্য দেশ বিনোদন খেলা অটো লাইফস্টাইল রাশিফল প্রযুক্তি প্রকল্প

Calcutta High Court TMCP-র Rally-র Permission না দেওয়ায় Padmapukur-এ Police-এর সঙ্গে সংঘর্ষে কুণাল ঘোষ-সহ ১৪ জন Arrest।

Calcutta High Court TMCP-র Rally-র Permission না দেওয়ায় Padmapukur-এ Police-এর সঙ্গে সংঘর্ষে Kunal Ghosh-সহ ১৪ জন Arrest।

২৫ July ২০২৬, ১০:৪২ PM আপডেট: ০৭ September ২০২৬, ০৪:৫৪ PM

শনিবার কলকাতার পদ্মপুকুর এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) একটি প্রস্তাবিত Rally-কে কেন্দ্র করে। নিট পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সংহতি জানিয়ে এই মিছিলের ডাক দিয়েছিল দলের কালীঘাট শাখা, সঙ্গে ছিল যুব ও আইটি সেলও। পদ্মপুকুর থেকে সিআইটি রোড হয়ে মৌলালি পর্যন্ত এই মিছিলের পরিকল্পনা থাকলেও, কলকাতা হাইকোর্ট শেষ মুহূর্তে সেই Permission না দেওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। পুলিশ জমায়েত হটাতে গেলে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়, এবং শেষ পর্যন্ত বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ ও ছাত্রনেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-সহ মোট চোদ্দোজনকে Detain করে পুলিশ।

Court-এ ঠিক কী হয়েছিল

জানা যাচ্ছে, দুপুর বারোটা নাগাদ TMCP-র তরফে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জরুরি Appeal দাখিল করা হয়, যেখানে দলের বক্তব্য ছিল, ২৩ জুলাই পুলিশকে দুটি সম্ভাব্য স্থান জানিয়ে মিছিলের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য শুনানিতে প্রশ্ন তোলেন, শুক্রবার বামফ্রন্টের দলগুলিকে যে শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের Permission দেওয়া হয়েছিল, তাতে TMCP কেন যোগ দেয়নি। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, শুক্রবারের সেই মিছিলই ধর্মতলায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল, তাই একই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে বিকেল তিনটে নাগাদ আদালত নতুন করে কোনও Rally-র অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। অথচ মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল বেলা দুটোয়, ফলে Court-এর সিদ্ধান্ত আসার আগেই জমায়েত অনেকটাই তৈরি হয়ে গিয়েছিল।

ঘটনাস্থলে পুলিশি পদক্ষেপ ও Arrest

আদালতের নির্দেশ পুলিশের কাছে পৌঁছনোর পর জমায়েত হটাতে গেলে উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ জানায়, TMC নেতৃত্বকে বারবার হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। এরপরই সিআইটি রোডে জমায়েতের অভিযোগে কুণাল ঘোষ ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে Detain করা হয়, সঙ্গে আরও বারোজন সমর্থককেও আটক করা হয় বলে সূত্রের খবর। Detain হওয়ার ঠিক আগে কুণাল ঘোষ সংবাদমাধ্যমে বলেন, যে আন্দোলন গতি পেয়েছে এবং বিজেপির যে বাড়াবাড়ি চলছে, তার প্রেক্ষিতে প্রতিকূলতা সত্ত্বেও প্রতিবাদের অধিকার বজায় রাখার পক্ষে দল দাঁড়িয়ে আছে।

Scooter চেপে ঘটনাস্থলে মমতা, তারপর Lalbazar

খবর পাওয়া মাত্রই দলীয় সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন, পিলিয়নে বসে একটি টু-হুইলারে চেপে তিনি হাজির হন। তাঁর প্রশ্ন ছিল, কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ-সহ তাঁর নেতাদের কেন Detain করা হলো এবং সমর্থকদের অসুবিধার সৃষ্টি করা হলো কেন। এরপর তিনি সরাসরি লালবাজার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উদ্দেশে রওনা দেন, জানান আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে দলের ছেলে-মেয়েদের ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করবেন।

জাতীয় প্রেক্ষাপট ও মমতার মন্তব্য

উল্লেখযোগ্য বিষয়, একই দিনে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের Resignation-এর খবরও সামনে আসে, যা নিয়েও প্রতিক্রিয়া দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই পদত্যাগকে বিজেপির পরাজয় বলে অভিহিত করে মন্তব্য করেন, "যে ডরেছে, সে মরেছে।" তিনি আরও জানান, দিল্লির CJP আন্দোলনের প্রতিও তাঁর দলের সমর্থন অব্যাহত থাকবে, প্রধানের পদত্যাগের খবর আসার পরেও।

এরপর কী

কুণাল ঘোষ ও বাকি আটকদের আইনি প্রক্রিয়া এখন চলমান, এবং দলের তরফে আইনজীবীদের মাধ্যমে দ্রুত মুক্তির চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্য রাজনীতিতে ফের একবার Freedom of Assembly ও Court-এর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে— তৃণমূলের বক্তব্য, তাদের গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে, আর প্রশাসনের যুক্তি, সাম্প্রতিক অতীতে একই ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়াতেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, তার দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

Rajdeep

Rajdeep

রাজদীপ একজন ডিজিটাল প্রকাশক। তিনি তথ্যনির্ভর, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ এবং বিশ্লেষণ পাঠকদের কাছে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করতে আগ্রহী। তথ্য যাচাই, গভীর গবেষণা এবং নির্ভুল প্রতিবেদনের মাধ্যমে পাঠকদের সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।

সব লেখা দেখুন